দেখা হবে
মনীষা কর বাগচী
ধূপ পোড়া গন্ধের মত ধিমিধিমি ছড়িয়ে পড়েছ লতায় পাতায়
পায়ে পায়ে জড়িয়ে রয়েছ অনন্ত কাল
একটু মিষ্টি আলোর সন্ধানে হাত পেতেছ , এত বড় স্পর্ধা নেই যে আমার
তোমাকে দেব ভিক্ষা
সে ভান্ডার কোথায় পাই?
অদম্য স্পৃহা, জড়াবে আঁচল, মাখবে রেণু
ফেরানো দুঃসাধ্য ছিল, ছুঁয়ে ছিল মন
প্রসব করেছি ছিটেফোঁটা কবিতা একটা দুটো
মন ভরেনি, জানি...
সবটুকু পাওয়া কি যায়? বেদনা কুড়াই
মৃণাকে সাজিয়েছ গল্পে, মেখেছ কবিতায়
কথা বলতে বলতে নিরুদ্দেশ হলে
ছেড়ে দিলে হাত
কথা রাখলে না!
কেমন করে ক্ষমা করি বল?
ফুল ফোটানোর আকূলতায় কেটে গেল রাত
তার পাঁপড়ি মেলার আগেই ঝরে পড়লে নীরবে
একবুক অভিমান ডুকরে কাঁদছিল সেই কবে থেকে
অশ্রু ধারায় বয়ে চলেছ এযাবৎ
শেষ বারের মতো দুচার ফোঁটা ফেলে গেলে পৃথিবীর বুকে
ধন্য হবে আগামী প্রজন্ম!
সময় হয়নি এখনও তবুও পাড়ি দিলে শেষ ঠিকানায়
অসমাপ্ত সকল কাজ
কেমন করে দেব বিদায়?
অপেক্ষা করো, পরের জন্মে দেখা হবে নিশ্চয়
নিশ্চয়ই হবে দেখা।